পোস্ট করেছেন19 আগস্ট, ২০২৩ৈ Ruhul Amin ধর্ম ও ডার‌উনের বিবর্তনবাদ ! কোনটি করব বিশ্বাস? এক হাজারেরও বেশী PhD সায়েন্টিস্ট স্বাক্ষর করেছেন যাঁরা বিশ্বাস করেন যে, ডারউইন থিয়োরী যথার্থ নয়। সূত্র: www.discovery.org/…/Scientific-Dissent-List-05012023-2.pdf Updated May 2023. ———(২) ——— মানুষ পৃথিবীর প্রাণী নয় বরং তার প্রাণ ভিন গ্রহের গ্রহাণু থেকে আগত - এ বিষয়ে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেছেন 'বিজ্ঞানী ড. এলিস সিলভার' তার বাইতে। বইটির নাম Humans Are Not From Earth - A Scientific Evaluation Of The Evidence - (Ellis Silver) বইটির সার সংক্ষেপ পড়তে চাইলে: পৃথিবী গ্রহে উল্টো মানুষই এলিয়েন!- কালের কণ্ঠ অনলাইন এতে উল্লিখিত যুক্তিগুলো "ডারউনের থিয়োরীর" বিপরীতে আর ইসলামের দেয়া কনসেপ্টের পক্ষেই যায়। ——— # ———- 1859 সাল থেকে, বিবর্তনবাদের ডারউইনীয় বিবরণ সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য সন্দেহ রয়েছে এবং রয়েছে।… মানব প্রজনন সচেতনভাবে গর্ভনিরোধ এবং গর্ভপাত দ্বারা সীমাবদ্ধ। ডারউইন জোর দিয়েছিলেন যে মিউটেশন এলোমেলো, এবং নির্বাচন যৌক্তিক। এটি সম্পূর্ণভাবে সম্ভব যে বিপরীতটি ধরে রাখতে পারে, অর্থাৎ মিউটেশনগুলি অভিযোজিত, যেমন সাম্প্রতিক নব্য-ল্যামার্কিয়ান গবেষণা পরামর্শ দেয়, এবং শিকার, সুযোগ, বিপর্যয় ইত্যাদির একটি এলোমেলো প্রক্রিয়া নির্বাচন করুন। মিউটেশনের চেয়ে লবণাক্ততা একটি ভাল ব্যাখ্যাকারী হতে পারে। জীববিজ্ঞানে প্রজাতির বাধা একটি বড় প্রশ্ন থেকে যায়। এটি এই বাধা অতিক্রম করে যা ডারউইন সম্বোধন করেছেন, এবং তার ক্রমাগত বৃদ্ধিমূলক তত্ত্বের প্রজাতির একটি পৃথক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে সমস্যা রয়েছে। যদি একটি প্রজাতির সংজ্ঞা হয় প্রজনন বিচ্ছিন্নতা, অর্থাৎ জীব যেগুলি উর্বর সন্তান উৎপাদনের জন্য পুনরুৎপাদন করতে পারে, তাহলে একটি ধীর বর্ধনশীল প্রক্রিয়া দ্বারা এই ধরনের বিচ্ছিন্ন বাধা অতিক্রম করা সমস্যাযুক্ত। কিভাবে একটি নতুন প্রজাতির প্রথম জীব উর্বর প্রজনন করতে সক্ষম একটি সঙ্গী খুঁজে পায়? মটরগুলিতে প্রভাবশালী জিনের উপর গ্রেগর মেন্ডেলের কাজ ডারউইনের তত্ত্বকে হোস্ট জনসংখ্যার মধ্যে নতুন মিউটেশনের মিশ্রণ থেকে উদ্ধার করেছিল। ডব্লিউডি হ্যামিল্টনের 'স্বার্থপর জিনের' তত্ত্বটি ডারউইনের প্রতি চ্যালেঞ্জ হিসেবে পরার্থপরতার প্রতি সাড়া দেয় এবং দাবি করে যে একই জিন বহনকারী প্রজাতির আত্মীয়রা পরার্থপরতা প্রদর্শন করে। এই দাবিটি অভিজ্ঞতামূলক অধ্যয়নের চেয়ে জটিল গাণিতিক মডেলগুলিতে বেশি করা হয়। হ্যামিল্টন নিজে একজন দৃঢ় সংকল্পবিদ ছিলেন। তবুও, তার তত্ত্ব রিচার্ড ডকিন্স দ্বারা ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়েছে, এইভাবে বর্তমান ডারউইন/মেন্ডেল/হ্যামিল্টন সংশ্লেষণ প্রতিষ্ঠা করেছে। ডারউইনের সমসাময়িক হিসাবে, রিচার্ড ওয়েন, যাকে ডারউইন 'আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ জীবাশ্মবিদ' বলে উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন, ডারউইনের তত্ত্ব দ্ব্যর্থহীনভাবে একটি একক প্রজাতির বিবর্তনমূলক গল্প বলতে সক্ষম নয়। সন্দেহের অবকাশ আছে। ডারউইনীয় চিন্তাধারার বিবর্তন এবং আরও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য একটি বিশাল বিতর্কের প্রয়োজন রয়েছে। (ট্রান্সলেটেড বাই গুগল) মূল লেখা: Atheist Doubts on Darwin - Atheist Spirituality ———(৩) ——— দেখুন 1859 সালের দিকে ডারউনের থিয়োরী পেয়ে লুফে নিয়োছিলো একটি শ্রেণী। তখন বিজ্ঞানকে ধোকা দেয়া তুলনামূলক সহজ ছিলো। ডার‌উনের বিবর্তনবাদ-তো বিজ্ঞান হিসেবেই বিশ্বাস করতে চাইছেন, তো বিজ্ঞানের জ্ঞানই একটু ভালোভাবে অর্জন করুন। ২০২৩ সালে আজ বিজ্ঞান মানুষের শরীরের খুঁটিনাটি বিষয়ে অনেক কিছু জেনেছে। এতো কিছু সামনে আসার পরেও যদি "ডারউনের থিয়োরীর" ধোকার মধ্যে থাকেন তাহলে দু:খজনক। প্রথম অপশন: সাধারণ মুসলিমদের, কিংবা অমুসলিমদের উপস্থাপন… অর্থাৎ যে কোনো কারো উপস্থাপন করা, ইসলামের দিকে নয়। বরং নিজে আল-কুরআন পড়ুন, রাসুল স. এর জীবনী পড়ুন —এগুলো পড়ুন খোলা মন নিয়ে, বোঝার উদ্দেশ্য নিয়ে। ইন-শা' আল্লাহ্‌ বুঝতে পারবেন ইসলাম সত্য। দ্বিতীয় অপশন: বিজ্ঞান হিসেবে (উপস্থাপন করা বক্তব্য) বিশ্বাস নয়। বিজ্ঞান যাচাই করার বিষয়, বিজ্ঞান হিসেবে যা উপস্থাপন করা হচ্ছে সেটাকে যাচাই করে নিন। বিজ্ঞানের ভেতরে ঢুকুন। যার-তার উপস্থাপন করা বিজ্ঞান নয়। প্রকৃত বিজ্ঞানের জ্ঞান অর্জন করুন। বিজ্ঞান ইসলামের কত কিছুকে সত্য বলে খুঁজে পেয়েছে, সেগুলো দেখুন। এভাবে উপলব্ধি করুন ইসলাম সত্য। তৃতীয় অপশন: উপরের দু'টির কোনটাতেই সন্তুষ্ট না হতে পারলে, এটাই তো বাকী থাকে যে, আপনি শয়তানের খপ্পরে পড়েছেন। আপনার জন্য আমরা দু:খিত। যুক্তিঃ মানুষকে বানর, স্পিন্জি, হনুমান ঠাউর করা হয় সাধারণতঃ এদের মুখাকৃতি অনেকটা মানুষের মত বলে। বিশেষ করে আফ্রিকান কালো নিগ্রোদের। তাই সন্দেহ করা হয় বানর আর মানুষ অভিন্ন। এ যুক্তিতে বিড়াল এবং বাঘ, কুমির ও টিকটিকি, স্থলের ঘোড়া আর সাগরের ঘোড়া মাছ অভিন্ন হওয়া উচিত কারণ তারা দেখতে চেহারাকৃতিতে অভিন্ন। দেখতে যদি মাছের মতো, দেখতে যদি বেড়ালের মত তাহলে তা দেখতে মনে হবে, বাস্তবে তা নয়।এক মানুষ অপরের মত ঠিক হুবহু হতে পারে চেহারা-আকৃতিতে। তাই বলে কি তিনি উনি হয়ে যাবেন? ডিএনএ সাক্ষ্য দেয় যে, বানরের ডিএনএ আর মানুষের ডিএনএ সম্পূর্ণ আলাদা, পৃথক। মানব শ্রেষ্ঠত্ব দেহে নয়। প্রাণে, আত্মায়। দেহ নশ্বর, প্রাণ অবিনশ্বর। মৃত্যুর পর দেহের ক্ষূদ্রাতি ক্ষুদ্র হাঁড়ের কণা কক্সি (উসউস) ব্যতিত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,মাটিতে বিলীন হয়ে যাবে। তাই মানব শ্রেষ্ঠত্বের জন্য দেহ ফ্যাক্টর নয়। আদি পিতা আদম আলাইহিমুস সালামের দেহ নির্মাণ করা হয়েছে দুনিয়াবী পাহাড়-পর্বত হতে নেয়া মাটি দ্বারা। এই মাটি দিয়ে তৈরি, মৃত্যুর পর এই মাটিতে কবরস্থ করা হবে। মানুষের দেহ মরণশীল অর্থাৎ মাটিতে বিলীনযোগ্য কিন্তু রুহ, আত্মা বা প্রাণ মরণশীল নয়। মৃত্যুর পরও মৃত ব্যক্তির আত্মা তাই জীবিতদেরকে কেউ ঘন, ঘন, কেউ দীর্ঘ বিরতির পর পর দেখা দেন। স্মায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বপ্ন দু প্রকার। ১) দিবসের কার্যক্রমের প্রভাব রাতে ঘুমে প্রকাশমান হয় সাধারণত স্বপ্নযোগেঃ। ২) পক্ষান্তরে এমন অর্থবহ স্বপ্ন রয়েছে যা কমপক্ষে তিনবার মৃত আত্মা একই স্বপ্ন দেখা গেলে মনে করতে হবে স্বপ্নটি উদ্দেশ্যপূর্ণ এবং মৃত আত্মা জীবিতদের প্রতি গ্ররুত্বপূর্ণ কোনোআ বার্তা পৌঁছাতে চান। এতে প্রমাণিত হয়, মৃত ব্যক্তির আত্মা মৃত্যুর পরও সক্রিয়, ক্রিয়াশীল থাকে যা অন্য কোনো প্রাণীর বেলায় ঘটে না।

Comments

Popular posts from this blog

আমরা মানুষঃ এক, অভিন্ন নৃতাত্ত্বিক জাতিসত্বার অধিকারী-পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণী

দুনিয়া মুমিনদের জন্য পরীক্ষা কেন্দ্র